দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মডেল মসজিদ প্রকল্পের ব্যয় কীভাবে বেড়েছে, তা তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নেওয়া বিভিন্ন প্রকল্পে অর্থ লোপাটের অভিযোগ রয়েছে। মডেল মসজিদ প্রকল্পের ব্যয়ের যৌক্তিকতাও খতিয়ে দেখা হবে।
সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদীন ফারুকের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রীর পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ আলোচনা হয়।
জয়নুল আবদীন ফারুক বলেন, মডেল মসজিদ প্রকল্পে একটি মসজিদের ব্যয় ১৩ কোটি টাকা থেকে ২১ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এ ব্যয়ের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ সময় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালও তাঁর নির্বাচনী এলাকার একটি মডেল মসজিদের অবস্থান ও নির্মাণব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মডেল মসজিদ অত্যন্ত ভালো উদ্যোগ। তবে প্রকল্প ব্যয়ের প্রাক্কলন যথাযথ হয়েছে কি না, সেটি যুক্তিসংগত প্রশ্ন।’ তিনি আরও বলেন, একটি মডেল মসজিদের ব্যয় ১৩ কোটি টাকা থেকে ২১ কোটি টাকায় কীভাবে পৌঁছাল, কতটি মসজিদ এ প্রকল্পের আওতায় রয়েছে এবং ব্যয়ের যৌক্তিকতা কী—এসব বিষয় মসজিদভিত্তিক তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সরকারের অন্যান্য সংস্থাও এ তদন্তে সম্পৃক্ত হতে পারে।
সংসদে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের লিখিত জবাবে ধর্মমন্ত্রীর পক্ষে জানানো হয়, দেশে নিবন্ধিত ওয়াক্ফ সম্পত্তির পরিমাণ ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৫৫০ দশমিক ৯৮ একর। অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে এ পর্যন্ত ২৭ দশমিক ৫৩ একর ওয়াক্ফ সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে।
অন্যদিকে নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের প্রশ্নের লিখিত জবাবে জানানো হয়, সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১৩ হাজার ৯৪৯ জন ধর্মীয় ব্যক্তির মধ্যে সম্মানী প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৩ জন ইমাম, ৪ হাজার ৩১২ জন মুয়াজ্জিন, ৩ হাজার ৭৮৪ জন খাদেম, ৫৮৬ জন পুরোহিত, ৪২২ জন সেবায়েত, ৯৫ জন বৌদ্ধ অধ্যক্ষ এবং ৬৭ জন বৌদ্ধ উপাধ্যক্ষ। পাশাপাশি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশের সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পর্যায়ক্রমে চলমান কর্মসূচির আওতায় আনার উদ্যোগের কথাও জানানো হয়।
এমএম/